সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে বিএনপির সংসদ সদস্যরা শপথ না নিলেও সেই শপথ নিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সদস্যরা।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ২৭ মিনিটে তারা এ শপথ গ্রহণ করেন। এর আগে ১২টা ২২ মিনিটে সংসদ সদস্য হিসাবে শপথ নেন জামায়াতে ইসলামী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচিতরা। ১২টা ২৪ মিনিটে শপথপত্রের নির্ধারিত স্থানে স্বাক্ষর করেন নবনির্বাচিত তারা।

তাদের দুইটি শপথ পড়ান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসিরউদ্দিন।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ পাঠ না করেই শপথকক্ষ ত্যাগ করেন রুমিন ফারহানা।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসাবে দায়িত্বগ্রহণের শপথবাক্যে বলা হয়, “আমি (সদস্যগণের নিজ নাম) সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য হিসেবে সশ্রদ্ধ চিত্তে শপথ করিতেছি যে, আমি যে কর্তব্যভার গ্রহণ করিতে যাইতেছি তাহা আইন অনুযায়ী ও বিশ্বস্ততার সহিত পালন করিব। আমি বাংলাদেশের প্রতি অকৃত্রিম বিশ্বাস ও আনুগত্য পোষণ করিব এবং পরিষদ সদস্যরূপে আমার কর্তব্য পালনকে ব্যক্তিগত স্বার্থের দ্বারা প্রভাবিত হইতে দেব না।”

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল। এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোটের রায় অনুযায়ী তাদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার কথা ছিল।সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিএনপির নবনির্বাচিতরা সে অনুযায়ী সংসদের শপথ কক্ষে উপস্থিত হন। সাড়ে ১০টায় তাদের সামনে মাইক নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে তারা শপথ নিচ্ছেন না।